ভারতে সরকারি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় চালের মজুদ আট গুণ বেড়েছে। ফুড করপোরেশন অব ইন্ডিয়ার সংকলিত তথ্যানুযায়ী, ১ জানুয়ারি দেশটির রাষ্ট্রীয় গুদামে ধানসহ চালের মোট মজুদ ছিল ৬ কোটি ৯ লাখ টন। এ সময় সরকারি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭৬ লাখ টন। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ ভারত। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাড়তি মজুদের কারণে দেশটি থেকে রফতানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করেছে। ফলে বিশ্ববাজারে আরো কমে আসতে পারে পণ্যটির দাম।
অন্ধ্র প্রদেশের কাকিনাদাভিত্তিক এক রফতানিকারক বলেন, ‘চালের মজুদ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। কিছু রাজ্যে এখনো ধান সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে। সরকার বেশির ভাগ বিধিনিষেধ তুলে নেয়ায় সেপ্টেম্বরে ও অক্টোবরের পর ভারতের চাল রফতানি ত্বরান্বিত হয়েছে।’
এদিকে ভারতে বছরের শুরুতেই নিম্নমুখী হয়েছে গমের মজুদ। ১ জানুয়ারি দেশটিতে পণ্যটির মজুদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৮৪ লাখ টন। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৩৮ লাখ টন। এটি গত পাঁচ বছরের গড় মজুদ ২ কোটি ৬৭ লাখ টনের তুলনায় অনেক কম।
ব্যবসায়ীরা জানান, অভ্যন্তরীণ বাজারের ঘাটতি দূর করতে তারা সরকারি মজুদ থেকে গম বিক্রির পরিমাণ বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গমের মজুদ আরো কমে গেলে সরকার পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে গম বিক্রির পরিমাণ আরো কমাতে পারে।
একটি গ্লোবাল ট্রেড হাউজের মুম্বাইভিত্তিক এক ডিলার বলেন, ‘গমের মজুদ কমেছে। এমন পরিস্থিতির কারণে সরকার গম বিক্রির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় অনেক কমাবে।’
ভারত সরকার ২০২৫ সালের মার্চে শেষ হওয়া বছরের মধ্যে ২৫ লাখ টন গম রাষ্ট্রীয় মজুদ থেকে বড় গ্রাহকের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা করেছে, যা গত মৌসুমে ছিল এক কোটি টন।